tanaka

২ কোটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী পাবেন স্মার্ট কার্ড, ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা

দেশের প্রায় দুই কোটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিফায়েড এডু আইডি ও স্মার্ট কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রস্তাবিত...
প্রচ্ছদজাতীয়পাম্পে তেল নিতে উপচেপড়া ভিড়, সরকারের ৫ নির্দেশনা জারি

পাম্পে তেল নিতে উপচেপড়া ভিড়, সরকারের ৫ নির্দেশনা জারি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহে সংকট তৈরি হতে পারে কিংবা দাম বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে যানবাহনের মালিক ও চালকদের ভিড় বেড়েছে। বাড়তি জ্বালানি মজুত করতে গতকাল থেকেই অনেককে পাম্পে ভিড় করতে দেখা গেছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, তেলের সংকটের আশঙ্কায় পাম্পগুলো সীমিত পরিমাণে জ্বালানি সরবরাহ করছে। নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল কিনতে পারছেন না অনেক চালক।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিটি ফিলিং স্টেশন কতটুকু জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে এবং ভোক্তারা কত পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন—সেসব বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কতটুকু জ্বালানি উত্তোলন করতে পারবে, সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে সরেজমিনে বিভিন্ন পাম্প ঘুরে চালক ও পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল অনেক চালক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে নিয়েছিলেন। কিন্তু আজ অতিরিক্ত তেল পাচ্ছেন না অনেকেই। পাম্প মালিকদের দাবি, সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় যতটুকু তেল রয়েছে তা সীমিত পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে।

মোটরসাইকেল চালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রাজারবাগ এলাকার একটি পাম্পে তেল নিতে গেলে তাকে ১০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “১০০ টাকার তেল দিয়ে কত দূর যাওয়া সম্ভব? বাধ্য হয়ে বাসায় গিয়ে আবার পাম্পে এসে তেল নিতে হয়েছে।”

সরকারের ৫ নির্দেশনা

জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনায় কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সেগুলো হলো—

১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ভোক্তাকে অবশ্যই ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
২. প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিল প্রদর্শন করতে হবে।
৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি সরবরাহ করবেন।
৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রির তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জানিয়ে জ্বালানি উত্তোলন করবে।
৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের সরবরাহ দেওয়ার আগে বরাদ্দ অনুযায়ী মজুত ও বিক্রির তথ্য যাচাই করবে; কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা যাবে না।