আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এদিন সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের দিন সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু সেবা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই সাধারণ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
যেসব জরুরি সেবা ও প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে
সাধারণ ছুটি ঘোষিত হলেও জনস্বার্থে নিম্নোক্ত জরুরি সেবাগুলো সচল থাকবে—
জরুরি সেবা
হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ এবং জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সংবাদমাধ্যম
সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশন চ্যানেলের অফিস এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
পুলিশ, আনসার, র্যাব এবং নির্বাচন ডিউটিতে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত—যেমন রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার—তাদের জন্য সাধারণ ছুটি প্রযোজ্য হবে না। তারা ভোটগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত থাকবেন।
শিক্ষকরা
যেসব শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবেন, তাদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে তারা পুরো সময় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন।
ব্যাংকাররা
সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ভোটকেন্দ্র বা রিটার্নিং অফিসারের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের ক্ষেত্রে ব্যাংক বন্ধের সাধারণ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তর
নির্বাচন পরিচালনার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং এর আওতাধীন মাঠপর্যায়ের সব অফিস পূর্ণ দিবস খোলা থাকবে। বিশেষ করে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়গুলো ভোটের দিন সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করবে।



