মাত্র ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে র্যাবের মাধ্যমে সংঘটিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার মামলায় ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে তিনি এসব তথ্য জানান।
সাক্ষ্যগ্রহণের সময় কাঠগড়ায় বসে মামলার আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান সম্পূর্ণ সাক্ষ্য কাগজে-কলমে লিখে নেন।
ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি সেনাবাহিনী থেকে ডিজিএফআই ও র্যাবে সেনা কর্মকর্তা সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, গুম, খুন এবং তথাকথিত ‘আয়নাঘর’ সংস্কৃতির কারণে র্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্ত করার ইচ্ছার কথাও তিনি ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করেছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় প্রসিকিউশন সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যার তিনটি অভিযোগ এনেছে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ইকবাল করিম ভূঁইয়াকে জেরা করবেন।



