tanaka
প্রচ্ছদখেলাদুই বছর পর ওয়ানডেতে ফিরতে পারেন কামিন্স

দুই বছর পর ওয়ানডেতে ফিরতে পারেন কামিন্স

  1. প্রায় দুই বছর পর আবারও ওয়ানডে ক্রিকেটে দেখা যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে। তবে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ফেরার মূল লক্ষ্য ওয়ানডে নয়; দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবেই ওয়ানডে সিরিজের কয়েকটি ম্যাচ খেলতে চান অজি পেসার।

    দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কামিন্সের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে ফিরতে পারেন পেস আক্রমণের আরও দুই তারকা মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউড। বিশ্বকাপের পর থেকে তারাও ওয়ানডেতে নিয়মিত খেলেননি।

    ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর কামিন্স মাত্র দুটি ওয়ানডে খেলেছেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেইডে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দুটিই ছিল তার সর্বশেষ ওয়ানডে। সেই সিরিজেই শেষবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একই সঙ্গে ওয়ানডে খেলেছিলেন কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজেলউড।

    চোট, বিশ্রাম এবং টেস্ট ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে গত দুই বছরে ওয়ানডে থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন কামিন্স। তার অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ, মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস।

    স্টার্ক ও হ্যাজেলউডও অবশ্য খুব বেশি ওয়ানডে খেলেননি। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া ২৮টি ওয়ানডে খেললেও স্টার্ক অংশ নিয়েছেন মাত্র ৭টিতে এবং হ্যাজেলউড ১১টিতে। দুজনের সর্বশেষ ওয়ানডে ছিল গত বছরের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা ২৪ সেপ্টেম্বর। এরপর ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। তবে সেই সিরিজে থাকছেন না কামিন্স।

    বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে কামিন্স জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজের কয়েকটি ম্যাচে খেলার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে তার মূল লক্ষ্য থাকবে লাল বলের ক্রিকেটে।

    কামিন্স জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে সিরিজের ছয় ম্যাচের মধ্যে সম্ভবত এক থেকে তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেন তিনি। ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতিও তিনি টেস্টকে কেন্দ্র করেই নিতে চান। বাংলাদেশের সিরিজের পর কিছুদিন বোলিং থেকে বিশ্রাম নিয়ে জিমে অনুশীলন করবেন, এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতি শুরু করবেন।

    ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে আলোচনায় স্টার্ক ও হ্যাজেলউডও একই ধরনের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    তবে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট সিরিজই ওয়ানডেতে ফেরার প্রধান কারণ হলেও আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপও অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনায় রয়েছে। বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়াকে বেশিরভাগ ম্যাচ খেলতে হবে। একই সময়ে তাদের সামনে রয়েছে ব্যস্ত টেস্ট সূচি—এক বছরের মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২১টি টেস্ট খেলার চ্যালেঞ্জ। তাই আপাতত টেস্ট ক্রিকেটকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সফরটিও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০১৮ সালের বহুল আলোচিত বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর এই প্রথম দেশটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। দুই দলের সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে নিজেদের মাঠে ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

    নিজেদের ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজটি কঠিন হবে বলেই মনে করছেন কামিন্স। দুই বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভালো সিরিজ খেললেও গত বছর লর্ডসে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বড় ব্যবধানে হেরেছিল তার দল।

    এবার দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন, অপরিচিত পিচ ও ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। তবে কামিন্সের মতে, নতুন পরিবেশে কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলাই টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে বেশ আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।

পূর্ববর্তী
সাক্ষাৎকালে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামালসহ ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ এবং চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব গভীর করতে ভাষা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, আমরা চীনা ভাষাসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে চাই। একই সঙ্গে চীনের শিক্ষার্থীরা যাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারে, সে সুযোগও আরও সম্প্রসারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন, ওয়াইফাই, খাবারসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার আশ্বাস দিয়ে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সৌজন্য সাক্ষাতে চীনা শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে খাবারের নাম ও মূল্যসহ মেনু প্রদর্শন, উন্নত ওয়াইফাই সুবিধা এবং অন্যান্য সেবার বিষয়েও আলোচনা হয়।
পরবর্তী