ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার নামাজ তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে তার পরিবারের আরও চার সদস্যের জানাজার নামাজও আদায় করা হয়।
শনিবার সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজায় ইমামতি করেন।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়েছে, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়।
জানাজার নামাজ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ধাপে তার পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল-হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তার নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জানাজার নামাজ আদায় করা হয়।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার চার মাসেরও বেশি সময় পর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানাতে নয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে ইরান সরকার।
শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। শনিবার ভোরে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং রোববার বিকাল পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে।
১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৭ জুলাই তার মরদেহ কোম শহরে নেওয়া হবে। পরে ৮ জুলাই ইরাকের বাগদাদ, নাজাফ ও কারবালায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে ৯ জুলাই ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।



