গত সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে খাতভিত্তিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ রিটার্ন এসেছে তথ্য ও প্রযুক্তি খাত থেকে। এ খাতে সূচকীয়ভাবে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ রিটার্ন এসেছে, যা ছিল সব খাতের মধ্যে শীর্ষে। তালিকাভুক্ত ১১টি কোম্পানির প্রতিটিরই শেয়ারমূল্য বেড়েছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা এসেছে জীবন বীমা খাত থেকে, যার রিটার্ন ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এই খাতের ১৫টি তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ১৪টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ১টির দর কমেছে।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিরামিক খাত, যার রিটার্ন ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এই খাতের ৫টি কোম্পানির মধ্যে ৪টির দর বেড়েছে।
উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে আরও কয়েকটি খাত থেকে, যেমন:
- পাট খাত
- প্রকৌশল খাত
- মুদ্রণ ও কাগজ খাত
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত
- চামড়া খাত
অন্যদিকে, সর্বাধিক নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে সিমেন্ট খাত থেকে, যার হার ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। বহুজাতিক দুই কোম্পানির শেয়ারমূল্য পতন এই খাতের সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে নেতিবাচক করেছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে কর্পোরেট বন্ড খাত থেকে, যার হার ০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এছাড়া নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে নিম্নোক্ত খাতগুলো থেকে:
- ভ্রমণ ও অবকাশ
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
- মিউচুয়াল ফান্ড
- বস্ত্র খাত
- ওষুধ ও রসায়ন খাত
লেনদেন বিশ্লেষণ
গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৪৯১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
খাতভিত্তিক লেনদেনের দিক থেকে:
- ওষুধ ও রসায়ন খাত ছিল শীর্ষে, প্রতিদিন গড়ে ১৭৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে ব্যাংক খাত, গড় লেনদেন ১৪৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- তৃতীয় স্থানে বস্ত্র খাত, গড় লেনদেন ১৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
এছাড়া:
- প্রকৌশল খাত: গড় লেনদেন ১২৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা
- খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত: গড় লেনদেন ৯৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা
এইভাবে উপস্থাপন করলে পাঠক সহজে খাতভিত্তিক পারফরম্যান্স ও লেনদেন সম্পর্কে স্পষ্ট ধার



