জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সিএনজি চালকদের পাঁচ ঘণ্টার অবরোধের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন চালকরা।
পরে সকাল ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন আখতারের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন সিএনজি চালকরা। এতে সকাল থেকে মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। অবরোধ প্রত্যাহারের পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়
চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাবেদ ফিলিং স্টেশন নামে মাত্র একটি গ্যাস পাম্পে সিএনজিতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর বিপরীতে বিআরটিএ নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার সিএনজি রয়েছে। এছাড়া বাইরে থেকে আসা সিএনজিসহ জেলায় চলাচলকারী মোট সিএনজির সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার।
চালকদের অভিযোগ, বিপুলসংখ্যক সিএনজির বিপরীতে মাত্র একটি গ্যাস পাম্প থাকায় প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এরপরও অনেক সময় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাস সংকটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মাঝেমধ্যে খালি হাতে ফিরতে হয় চালকদের। এতে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।
সিএনজি চালক আজিজুল হক বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সংকটে ভুগছি। একটি মাত্র পাম্পে হাজার হাজার সিএনজি গ্যাস নিতে আসে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যায় না। এতে আমাদের দিনের আয় নষ্ট হয়। নতুন গ্যাস পাম্প স্থাপন ও গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতেই আমরা মহাসড়ক অবরোধ করেছি।’



