tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিজাপা কার্যালয়ে ফের হামলা-সংঘর্ষ, জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তারের দাবি

জাপা কার্যালয়ে ফের হামলা-সংঘর্ষ, জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তারের দাবি

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার রাতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের জেরে বিজয়নগর ও কাকরাইল এলাকায় দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করেছে। এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা এখনও আশঙ্কামুক্ত নয়।

দুপুরে জাপার মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারি এবং অপরদিকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা আল রাজি কমপ্লেক্সে আলাদা সংবাদ সম্মেলন করেন। এর পরপরই গণঅধিকার পরিষদের মিছিল জাপা কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে সংঘর্ষ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর জাপা কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে পুলিশ, সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার রাতের সংঘর্ষের সময় নুরুল হক নুর অফিসের সামনে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ সেনা ও পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর লাঠিচার্জ করলে নুর একা পড়ে যান এবং বেধড়ক মারধরের শিকার হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গতকাল সরেজমিনে গণঅধিকার পরিষদের অফিসে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সেনা-পুলিশ মিলে তাদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে হামলা চালিয়েছে। তিনি জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন।

এদিকে নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে জিএম কাদেরের বাসার সামনে বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। জাপার মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারি অবশ্য দাবি করেছেন, তাদের দলের কেউ নুরের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত নয়।

জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তারের দাবি

শনিবার বিকেলে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠন উত্তরায় জিএম কাদেরের বাসার সামনে সংবাদ সম্মেলন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। সংগঠনের মুখপাত্র ফানতাসির মাহমুদ অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টি ভারতের পালিত দল ও আওয়ামী লীগের গৃহপালিত বিরোধী দল হিসেবে কাজ করেছে। তারা পরপর তিনটি নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়—
১. নুরুল হকের ওপর হামলার তদন্ত ও বিচার,
২. তদন্ত সাপেক্ষে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা,
৩. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তার,
৪. পুলিশ সংস্কার কমিশন পুনর্বহাল ও ৫০ হাজার বিপ্লবী পুলিশ নিয়োগ,
৫. আওয়ামী লীগকে পূর্ণাঙ্গ নিষিদ্ধ ঘোষণা।