tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়গ্রেফতারের চার দিন আগেই দেশে আসেন ডেভিড ইমন, ফের ভারতে পালানোর চেষ্টা

গ্রেফতারের চার দিন আগেই দেশে আসেন ডেভিড ইমন, ফের ভারতে পালানোর চেষ্টা

ভারত থেকে চার দিন আগে বাংলাদেশে প্রবেশের পর আবারও সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে গ্রেফতার হয়েছেন চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন।

বুধবার চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো. নাজিমুল হক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে ইমনের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। চার দিন আগে যশোর সীমান্ত দিয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে পুলিশের তৎপরতার খবর পেয়ে আবার ভারতে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে ইমনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। গত দুই বছরে চট্টগ্রামে সংঘটিত একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের দাবি, ইমনের বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের বাকলিয়ার জোড়া খুন এবং পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাও রয়েছে। এছাড়া একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও ব্যবহারে দক্ষ ইমন বড় সাজ্জাদ বাহিনীর অন্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ইমনের আরেক সহযোগী মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেফতারে নোয়াখালীর সেনবাগে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, বড় সাজ্জাদ বাহিনীর হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইমন ও রায়হান নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতার ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার সীমান্ত পারাপার, সহযোগী নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।