tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকগাড়ি ও অর্ধকোটি টাকা যৌতুক দাবি, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

গাড়ি ও অর্ধকোটি টাকা যৌতুক দাবি, গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

ভারতে যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে প্রাণ দেন দীপিকা নাগর নামের ওই গৃহবধূ।

সোমবার (১৮ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে India Today।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের Greater Noida এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দীপিকার পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জলপুরার বাসিন্দা ঋত্বিকের সঙ্গে প্রায় দেড় মাস আগে দীপিকার বিয়ে হয়। বিয়েতে কনের পরিবার প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় করেছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। এরপরও যৌতুক হিসেবে একটি ফরচুনার গাড়ি ও ৫১ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

দীপিকার বাবা সঞ্জয় নগর জানান, শুরুতে তারা শ্বশুরবাড়ির বিভিন্ন দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিয়ের সময় একটি স্কর্পিও এন মডেলের গাড়ি, ১০ লাখ টাকার বেশি উপহার, সোনার অলংকার এবং ১৬টি আংটি দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু এরপরও নির্যাতন থামেনি বলে অভিযোগ করেন।

ঘটনার দিন ঋত্বিকের পরিবারের পক্ষ থেকে ফোন করে জানানো হয়, দীপিকা দুর্ঘটনাবশত ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছেন এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে হাসপাতালে গিয়ে পরিবার জানতে পারে, তিনি মারা গেছেন।

তবে আত্মহত্যার বিষয়টি মানতে নারাজ দীপিকার পরিবার। সঞ্জয় নগরের দাবি, তার মেয়ে মানসিকভাবে দৃঢ় ছিলেন এবং এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানুষ ছিলেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীপিকার শরীরে নির্যাতনের একাধিক চিহ্ন ছিল। পায়ে গভীর আঘাত ও মুখে আঁচড়ের দাগও দেখা গেছে।

দীপিকার পরিবারের আরও অভিযোগ, তাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এ নিয়ে একাধিকবার দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল। মৃত্যুর দিনও বিষয়টি মীমাংসায় দীপিকার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন তার বাবা ও চাচা। পরে বাড়ি ফেরার পরই মেয়ের আহত হওয়ার খবর পান তারা।