tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকগাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনা পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্তের পথে পাকিস্তান

গাজায় শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনা পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্তের পথে পাকিস্তান

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনা পাঠানোর বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে পাকিস্তান।

দেশটির সরকারি ও সামরিক সূত্র জানিয়েছে, ইসলামাবাদ এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ)-এ পাকিস্তান সেনা পাঠাবে কি না—সে বিষয়ে সরকার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এবং সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা “চূড়ান্ত পর্যায়ে” পৌঁছেছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ডন জানায়, অভ্যন্তরীণ আলোচনার ধরণে স্পষ্ট হচ্ছে—গাজা মিশনে অংশ নেওয়ার পক্ষে ঝুঁকছে পাকিস্তান।

যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে গঠিত গাজা শান্তিচুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সেনা নিয়ে আন্তর্জাতিক এই শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠন।

বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে থাকবে গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, হামাসকে নিরস্ত্র করা, সীমান্ত পারাপার নিয়ন্ত্রণ, মানবিক সহায়তা বিতরণ এবং অন্তর্বর্তীকালীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজায় মার্কিন সেনা না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবু ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, কাতার, তুরস্ক ও আজারবাইজানসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের “ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের” কারণে তুর্কি সেনাদের এই বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করছেন তিনি।

এর আগে গত রোববার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় কোন কোন বিদেশি বাহিনী প্রবেশ করতে পারবে, তা নির্ধারণের একমাত্র অধিকার থাকবে ইসরায়েলের হাতে।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ইন্দোনেশিয়া, আজারবাইজান ও পাকিস্তানের সেনা নিয়ে গঠিত বাহিনী গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকবে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখবে আন্তর্জাতিক এই শান্তিরক্ষী বাহিনী।