গাইবান্ধার বিভিন্ন আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জাতীয় পার্টি (জাপা) মহাসচিবসহ মোট ২৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
গাইবান্ধা-১ আসনে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী পরামানন্দ দাস, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার, আমজনতার দলের কাওছার আজম হাচ্চু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা মহসিন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রমজান আলী।
গাইবান্ধা সদর আসনে বাসদের আহসানুল হাবীব সাইদ, সিপিবির মিহির কুমার ঘোষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল মাজেদ, জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার এবং জনতার দলের সাহেদুজ্জামান জামানত হারিয়েছেন।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম খুশি, জাতীয় পার্টির ময়নুর রাব্বি চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান, সিপিবির আব্দুল্লাহিল আদিল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আওলাদ হোসেন, জনতার দলের মঞ্জুরুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোসাদ্দিকুল ইসলাম এবং গণঅধিকার পরিষদের সুরুজ মিয়া জামানত হারিয়েছেন।
গাইবান্ধা-৪ আসনে জাতীয় পার্টির কাজী মো. মশিউর রহমান, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আনোয়ারুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রউফ আকন্দ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তৌহিদুল ইসলাম ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনেও জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ, বাসদের রাহেলা খাতুনসহ মোট ২৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মোট কাস্টিং ভোটের কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।



