যুক্তরাষ্ট্রে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত এসব নথিতে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে। এসবের মধ্যে একটি ই-মেইলের সূত্রে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ই-মেইলে আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। নথিতে বলা হয়েছে, ই-মেইলটির বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা–আইসিডিডিআরবি’, যা ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল এপস্টেইনের কাছে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল।
ওই ই-মেইলে প্রস্তাব করা হয়, আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে একটি গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে। সেখানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে উৎপাদিত প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্য থেকে মুনাফার তিন শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ ছিল।
এ ছাড়া নথিতে বলা হয়, আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগে কর ছাড়ের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা আরেকটি ই-মেইলে দেখা যায়, তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। তবে ওই সফরের উদ্দেশ্য কিংবা সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল—সে বিষয়ে প্রকাশিত নথিতে বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই।
নথি প্রকাশের পর এসব তথ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ই-মেইলগুলোতে উল্লিখিত প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়েছিল কি না কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা ছিল কি না—সে বিষয়ে নথিতে স্পষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত নিউজ ভার্সন, শিরোনামনির্ভর ব্রেকিং ফরম্যাট বা ব্যাখ্যামূলক বিশ্লেষণ আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।



