tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিককঠিন বাস্তবতার মধ্যেই রমজান শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা

কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই রমজান শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা

কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই পবিত্র রমজান শুরু করেছে গাজার ফিলিস্তিনিরা। নাজুক যুদ্ধবিরতির আবহে মাসটি শুরু হলেও দীর্ঘ সংঘাত, অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞ ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের কারণে স্বাভাবিক উৎসবের আবহ অনেকটাই ম্লান।

রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য সংযম, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও দানের মাস। সাধারণত এ সময় পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব একত্রে ইফতারে মিলিত হন, মসজিদগুলোতে জমে ওঠে তারাবির নামাজ। কিন্তু গাজায় এবার দৃশ্যপট ভিন্ন। বহু মানুষ স্বজন হারিয়েছেন, অসংখ্য পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতিদিনের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোই হয়ে উঠেছে বড় চ্যালেঞ্জ।

২০২৩ সালের অক্টোবরের পর হামাস ও ইসরায়েল-এর মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সংঘাতে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

বাজারে গিয়ে অনেকেই জানান, মানুষের হাতে অর্থ নেই, কর্মসংস্থানও প্রায় বন্ধ। ফলে রমজানের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। একসময় রমজান এলে গাজার রাস্তাঘাট আলোকসজ্জায় ঝলমল করত, শিশুদের মুখে ফুটত আনন্দের হাসি। এবার সেই চিরচেনা চিত্র প্রায় অনুপস্থিত।

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে গাজায় এখনও বিচ্ছিন্ন গোলাগুলি ও হামলার খবর মিলছে। এতে নতুন করে হতাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

তবে সব প্রতিকূলতার মাঝেও কিছু মানুষ রমজানের আবহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। খান ইউনিসে ধ্বংসস্তূপের দেয়ালে শিল্পী হানি দাহমান আরবিতে লিখেছেন ‘রমজান মোবারক’। শিশুদের জন্য টানানো হয়েছে ছোট ছোট আলোকসজ্জা। সংকটের ভেতরেও এ ক্ষুদ্র প্রয়াসগুলোই হয়তো মানুষের মনে কিছুটা আশার আলো জ্বালিয়ে রাখছে।