tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কবে শেষ? ট্রাম্পের বিশেষ বার্তায় ইঙ্গিত

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কবে শেষ? ট্রাম্পের বিশেষ বার্তায় ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে। তার দাবি, ইরানে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানোর মতো কার্যত তেমন কিছু আর অবশিষ্ট নেই।

বুধবার প্রকাশিত আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ “বেশ সফলভাবে এগোচ্ছে” এবং মার্কিন বাহিনী প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান নির্ধারিত সময়সূচির চেয়েও এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছি। এমনকি মূল ছয় সপ্তাহের পরিকল্পনার তুলনায়ও অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পেরেছি।”

তবে ট্রাম্পের এ দাবির সত্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অতীতে বিভিন্ন ইস্যুতে তার বক্তব্য পরিবর্তনের নজির থাকায় অনেকেই এ মন্তব্যকে সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করছেন।

অন্যদিকে ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি পাল্টা কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, শত্রুর পূর্ণ আত্মসমর্পণ ও পরাজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অভিযান থামবে না।

বুধবার প্রকাশিত বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসি দাবি করেছে যে তারা হামলার ৩৮তম ধাপ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে কুয়েতের আদিরি হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে শক্তিশালী ও সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় আহত অন্তত ১০০ জনকে আল জাবের ও আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া বাহরাইনের মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। পাশাপাশি কুয়েতের ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’ নৌঘাঁটির কাছে অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়টসহ মার্কিন সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলেও তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর পাল্টা অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ ও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।