tanaka

যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনে মহানবী (সা.) কেন ভিন্ন কৌশল নিয়েছিলেন?

যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনের সময় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানুষের মানসিক অবস্থা ও প্রয়োজন বিবেচনায় ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। হজরত আমর ইবনু তাগলিব (রা.)-এর ঘটনা থেকে নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও আত্মতুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়।
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানের ড্রোন হামলার আশঙ্কায় তেল স্থাপনায় ‘লোহার খাঁচা’ গড়ছে আমিরাত

ইরানের ড্রোন হামলার আশঙ্কায় তেল স্থাপনায় ‘লোহার খাঁচা’ গড়ছে আমিরাত

ইরানের সম্ভাব্য ড্রোন হামলার ঝুঁকি মাথায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোর চারপাশে বিশেষ অ্যান্টি-ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে আবুধাবির একটি তেল সংরক্ষণাগারের চারপাশে লোহার জালের মতো কাঠামো নির্মাণ করতে দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এটি ভারী ড্রোন আঘাত প্রতিরোধে সক্ষম একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হতে পারে। তবে ছবিটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জ্বালানি রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির কারণে তেল ও গ্যাস খাত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে এবং রপ্তানি আয়ের বড় অংশও জ্বালানিনির্ভর।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি আমিরাতকে একাধিকবার সতর্ক করেছে। তেহরানের অভিযোগ, আবুধাবি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সঙ্গে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা আরও গভীর করছে।

এই প্রেক্ষাপটে ইরান আমিরাতের তেল স্থাপনা, পর্যটন কেন্দ্র এবং এমনকি পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুই দেশ যৌথভাবে একটি প্রতিরক্ষা তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার মাধ্যমে আধুনিক অস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়ন ও কেনাকাটায় অর্থায়ন করা হবে।

মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, আমিরাত ও ইসরায়েল যৌথভাবে কাউন্টার-আনম্যানড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (সি-ইউএএস) এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফরের সময় এ বিষয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়। তবে সফরের খবর প্রকাশের পর তা অস্বীকার করে আবুধাবি।

এর আগেও আমিরাতকে আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়েছে ইসরায়েল। চলতি বছরের মে মাসে ইরানি হামলা মোকাবিলায় দেশটিতে আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাটারি ও অপারেটর পাঠানো হয়েছিল বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মার্চে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের হুমকি আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলছে।