tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদসারাদেশইউএনওর সঙ্গে থাকা আ.লীগ নেতা পুলিশ খুঁজে পায় না এক বছর ধরে!

ইউএনওর সঙ্গে থাকা আ.লীগ নেতা পুলিশ খুঁজে পায় না এক বছর ধরে!

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামকে গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পার হলেও পুলিশ কোথাও খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) তিনি উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এক সরকারি কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে উপস্থিত ছিলেন।

ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে চাল ও শিশু খাদ্য বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর মোহাম্মদ আল কামাহ তমাল, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মেহেদী হাসানসহ সরকারি কর্মকর্তারা। সেখানে প্রকাশ্যে রফিকুল ইসলামের উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে গা-ঢাকা দেওয়া নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের এই নেতা কীভাবে নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে প্রোগ্রামে অংশ নিলেন—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

হলদিয়া ইউনিয়ন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মতিউর রহমান টুকু বলেন,
“চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি অনেকদিন ধরে উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা সভা বা সমন্বয় সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। পুলিশ বলছে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে হঠাৎ কীভাবে তিনি ইউএনওর সঙ্গে এসে ত্রাণ বিতরণ করলেন?”

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান আলী বলেন,
“আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এই নেতারা অনেককে কষ্ট দিয়েছে। অথচ এখন পুলিশ তাদের ধরতে পারে না। চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সবসময় পলাতক থাকেন, আবার ঠিক সময়ে ইউএনওর প্রোগ্রামে হাজির হন।”

সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাদশাহ আলম বলেন,
“ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পদে যারা আছেন তারা যেকোনো সময় ধরা পড়বেন।”

রফিকুল ইসলামের বক্তব্য নিতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে ইউএনও মীর মোহাম্মদ আল কামাহ তমাল বলেন,
“সরকারিভাবে চাল বিতরণের কাজ মনিটর করতে গিয়েছিলাম। সেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। যেসব চেয়ারম্যান মাসিক সভা বা আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত হন না কিংবা পরিষদের কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করেন না, তাদের লিখিত তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।”