tanaka

বাংলাদেশকে নিয়ে পাকিস্তানিদের ইতিবাচক মনোভাব বেশি, ভারতে তুলনামূলক কম: পিউ জরিপ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিকদের মধ্যে একে অপরকে নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য উঠে এসেছে পিউ রিসার্চ সেন্টারের সাম্প্রতিক এক জরিপে। এতে দেখা গেছে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকআল-আকসা প্রাঙ্গণে দেড় শতাধিক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশ

আল-আকসা প্রাঙ্গণে দেড় শতাধিক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশ

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরাইলি পুলিশের নিরাপত্তার মধ্যে দেড় শতাধিক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। এ সময় তারা সেখানে ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনা পালন করেন।

১৯৬৭ সাল থেকে চলে আসা ঐতিহাসিক ‘স্ট্যাটাস কু’ অনুযায়ী, অমুসলিমদের আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি থাকলেও সেখানে ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করার অনুমতি নেই। ফলে বসতি স্থাপনকারীদের এ ধরনের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

আল-আকসার ঐতিহাসিক গুরুত্ব

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর ইসরাইল অঞ্চলটিকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ এ সিদ্ধান্তকে স্বীকৃতি দেয়নি।

আল-আকসা প্রাঙ্গণ মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি—তিন আব্রাহামীয় ধর্মের অনুসারীদের কাছেই ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমানদের কাছে এটি ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। এই প্রাঙ্গণেই রয়েছে আল-আকসা মসজিদ ও ঐতিহাসিক ডোম অব দ্য রক

ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই স্থান থেকেই মিরাজে গমন করেন।

অন্যদিকে, ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের কাছে এলাকাটি ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত। প্রাচীন ইহুদি উপাসনালয়ের ঐতিহাসিক অবস্থানের কারণে স্থানটি তাদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত হয়।

ফলে আল-আকসা প্রাঙ্গণে ধর্মীয় আচার পালনের মতো যেকোনো ঘটনা ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে

সূত্র: আল-জাজিরা