tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদজাতীয়আজ থেকে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ

আজ থেকে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ

কমিশন বৃদ্ধি ও জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবি

কমিশন বৃদ্ধি ও জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ বিষয়ে আজ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে একটি নোটিশ জারি করে এই ঘোষণা দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। এর আগে বুধবার সকালে সংগঠনটি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। নোটিশে বলা হয়, ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সব এলপিজি বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমও স্থগিত থাকবে।

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবির কথা তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। সেখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, বিইআরসি থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে এবং প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় নোটিশের মাধ্যমেও একই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

উল্লেখ্য, বিইআরসি প্রতি মাসে এলপিজির দাম সমন্বয় করে থাকে। সর্বশেষ গত ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী সমিতির লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, এলপিজির সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে দাম বাড়ানো নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংস্থার অভিযান বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, যার ফলে অনেক পরিবেশক ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সমিতির দাবি, জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে আমদানি সমস্যা সমাধান করাই ছিল কার্যকর পথ। কিন্তু তার পরিবর্তে অভিযান চালিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে। তারা পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।