জুমার নামাজের পর থেকেই বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে শুরু হয় আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলার প্রাণচাঞ্চল্য। সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ জমে ওঠে প্রাণবন্ত পরিবেশে। এদিন জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি আবদুল মালেকও মেলা পরিদর্শন করেন।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণ ও পূর্ব চত্বরে থাকা ১৯৯টি স্টলের প্রায় প্রতিটিতেই দর্শনার্থীদের ভিড়। বিশেষত মিশর, লেবানন ও পাকিস্তানের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্টলগুলোতে ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পাঠকরা পছন্দের লেখকের বই সংগ্রহ করতে ব্যস্ত ছিলেন।
জুমার পর খতীব মুফতি আবদুল মালেক বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রকাশক আবদুল কাদের খান জানান, “প্রথম দিকে দর্শনার্থী ও ক্রেতা কিছুটা কম ছিল। তবে আজ ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকে বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে। মেলা ধীরে ধীরে জমে উঠছে।”
মেলা কমিটির সদস্য ও রুহামা পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, “এবারের আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও আলেমরা বই কিনতে আসছেন। সামনে মেলা আরও জমে উঠবে ইনশা-আল্লাহ।”
উল্লেখ্য, মাসব্যাপী এই বইমেলায় ১৯৯টি স্টল রয়েছে। এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ দেশের স্বনামধন্য ইসলামী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, শীর্ষস্থানীয় পুস্তক ব্যবসায়ী এবং মিশর, লেবানন ও পাকিস্তানের প্রকাশনা সংস্থাগুলো অংশ নিয়েছে। মেলায় লেখক কর্নার, ফুড কর্নার, আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্টল ও জেলা–বিভাগীয় কার্যালয়ে ইফা প্রকাশিত বই সর্বনিম্ন ৪০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ কমিশনে বিক্রি করা হচ্ছে।



