নেত্রকোনার কেন্দুয়া থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৬ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ঢাকার ভাটারা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। তাকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় জনি (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জনিকে আটক এবং ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব।
গ্রেফতার জনি কেন্দুয়া উপজেলার চিথোলিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। মামলার প্রধান আসামিসহ অন্য অভিযুক্তদের বাড়িও একই এলাকায়।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন জানান, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার প্রধান আসামি রনি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে বয়স কম হওয়ায় তার পরিবার ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর রনি ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। গত ২০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রনি তাকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর তদন্তে নেমে এরই মধ্যে শামীম মিয়া ও ঝর্না আক্তার নামে আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
র্যাব জানায়, উদ্ধার করা স্কুলছাত্রীকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। গ্রেফতার জনিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার জনিকে আদালতে পাঠানোর পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া ছাত্রীর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি রনি ও রানা এখনও পলাতক। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



