tanaka

বাংলাদেশকে নিয়ে পাকিস্তানিদের ইতিবাচক মনোভাব বেশি, ভারতে তুলনামূলক কম: পিউ জরিপ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিকদের মধ্যে একে অপরকে নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য উঠে এসেছে পিউ রিসার্চ সেন্টারের সাম্প্রতিক এক জরিপে। এতে দেখা গেছে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে এবং মাউমেরে বন্দরের টার্মিনাল অবকাঠামো ধসে পড়ায় অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি)।

বার্তা সংস্থা বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৫টার কিছু আগে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে।

ইস্ট নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানান, শনিবার ভোররাতে অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় ঘরবাড়ি ধসে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনসহ একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিক্কা, মাঙ্গারাই ও পূর্ব মাঙ্গারাই জেলা। বিএনপিবির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সিক্কায় ৩ জন, মাঙ্গারাইয়ে ৬ জন এবং পূর্ব মাঙ্গারাইয়ে ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বহু মানুষ আহতও হয়েছেন।

কম্পনের তীব্রতায় মাউমেরে বন্দরে ফেরির জন্য অপেক্ষারত যাত্রীদের ওপর টার্মিনাল ভবনের কংক্রিটের ছাদ ও গ্যাংওয়ে ধসে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী সাগরে ছিটকে পড়েন।

প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ভূমিকম্পে অন্তত ৫৪টি আবাসিক বাড়ি, ৫টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ৩টি উপাসনালয়, ৬টি সরকারি কার্যালয়, ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১টি গুদাম গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

আফটারশকের আতঙ্কে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে পাহাড়ি এলাকা ও খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গম ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে পুরো অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে বিএনপিবি।

সংস্থাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। দেশটির ভূপ্রকৃতি ও টেকটোনিক অবস্থানের কারণে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।