tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিপাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা, মুনাফা ও কেনার নিয়ম

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা, মুনাফা ও কেনার নিয়ম

বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত একটি নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হলো সঞ্চয়পত্র। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে এতে নির্ধারিত সময় পরপর মুনাফা পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে বিনিয়োগ করা মূল অর্থও ফেরত পাওয়া যায়।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের মধ্যে অন্যতম হলো পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। ১৯৭৭ সালে চালু হওয়া এই সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে নির্ধারিত হারে বিনিয়োগ করলে বার্ষিক মুনাফার হার ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

কারা কিনতে পারবেন?

সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন অনুযায়ী পরিচালিত তহবিলও এতে বিনিয়োগ করতে পারে।

সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত প্রয়োজন হয়—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)
  • ব্যাংক হিসাবের তথ্য
  • প্রয়োজনীয় আবেদনপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র

কোথা থেকে কিনবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়—

  • জেলা সঞ্চয় অফিস থেকে
  • জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো থেকে
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা থেকে
  • তফশিলি ব্যাংক থেকে
  • ডাকঘর থেকে

কী কী সুবিধা রয়েছে?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের প্রধান সুবিধাগুলো হলো—

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় তুলনামূলক নিরাপদ
  • নির্ধারিত হারে নিয়মিত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে সহায়ক
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুবিধা
  • নমিনি নিয়োগের সুযোগ

সঞ্চয়পত্রের মালিক মারা গেলে নমিনি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তা নগদায়ন করতে পারেন। তিনি চাইলে মেয়াদপূর্তির আগেও বা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্রের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পান।

দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের পাশাপাশি নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে জনপ্রিয়।