যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও ইরানের জন্য বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করেছে পাকিস্তান। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং সমুদ্রবন্দরে অবরোধের কারণে চাপে থাকা ইরানের জন্য স্থলপথে বাণিজ্যের দ্বার খুলে দিয়েছে ইসলামাবাদ। ফলে পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে ইরানি পণ্য পরিবহন ও ট্রানজিট এখন অনেকটাই সহজ হবে।
এই পদক্ষেপকে ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমুদ্রপথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় বিকল্প হিসেবে স্থলপথের গুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। বিশেষ করে, এতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের কৌশল কতটা দুর্বল হতে পারে—তা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান শান্তি উদ্যোগেও এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়েও বিশ্লেষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত আঞ্চলিক অর্থনীতিকে ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সচল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হয়েও ইরানকে এমন সুবিধা দেওয়ায় ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা



