মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধ পরিকল্পনায় সরাসরি সায় দেয়নি ন্যাটো মিত্ররা। ইরানের সঙ্গে টানা ছয় সপ্তাহের সংঘাত নিরসনে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরই ট্রাম্প এই কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।
তিনি আশা করেছিলেন, মিত্র দেশগুলোও এই সামুদ্রিক অবরোধে যুক্ত হবে। তবে ন্যাটোর সদস্যরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—সংঘাত চলমান থাকা অবস্থায় তারা এমন কোনো উদ্যোগে অংশ নেবে না।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নানা চাপ থাকলেও যুক্তরাজ্য এখনই এই সংঘাতে জড়াতে আগ্রহী নয়। তিনি পরিষ্কার করে জানান, এই নৌ-অবরোধে ব্রিটেনের সমর্থন নেই। একই অবস্থান নিয়েছে জার্মানি, স্পেন, ইতালি, পোল্যান্ড ও গ্রিসও; তারাও এ অভিযানে নৌবাহিনী পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ফলে মিত্রদের এই অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং ন্যাটো জোটের ভেতরে নতুন টানাপোড়েনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভিন্ন পথের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্রিটেনসহ অন্যান্য দেশকে নিয়ে একটি বহুজাতিক উদ্যোগ গড়ার চিন্তা করছে, যার লক্ষ্য হবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা। ম্যাক্রোঁ জোর দিয়ে বলেন, এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান নয়; বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগ।
এই প্রস্তাব ট্রাম্পের সরাসরি সংঘাতমুখী কৌশল থেকে স্পষ্টতই ভিন্ন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান



