tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানে সম্ভাব্য স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সম্ভাব্য স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে, আর সেই প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আকাশ ও নৌপথের পর এবার স্থল হামলার সম্ভাবনাও সামনে আসছে বলে জানা গেছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা, যাতে কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে এই প্রস্তুতি নেওয়া মানেই যে স্থল হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে—এমন নয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট রোববার (২৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এসব বাহিনীকে ব্যবহার করে কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি সীমিত পরিসরের স্থল অভিযান চালানো হতে পারে। তবে এটি প্রচলিত যুদ্ধের মতো বড় আকারের স্থল হামলা নাও হতে পারে; বরং বিশেষ কৌশলগত অভিযানের মাধ্যমে নতুন ধাপের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য এই অভিযানে মূলত স্পেশাল ফোর্স ও আর্টিলারি ইউনিট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে রেইড চালানো হতে পারে, যা সাধারণ স্থল যুদ্ধের তুলনায় ভিন্ন ধরনের হবে।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি নয়। তিনি বলেন, নির্ধারিত সামরিক লক্ষ্য অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্র দ্রুতই ইরান থেকে সরে আসবে।

শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু সময়ের জন্য সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে আগ্রহী। এর উদ্দেশ্য হলো ইরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করে দেওয়া।

ভ্যান্স আরও বলেন, “আমরা চাই, আমাদের চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে যেন একই ধরনের সংকট আর না তৈরি হয়।”

তিনি স্বীকার করেন, চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং দাম বেড়েছে। তবে তার মতে, এটি সাময়িক এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারও স্থিতিশীল হয়ে যাবে।

সবশেষে তিনি স্পষ্ট করেন, যুক্তরাষ্ট্র এক বা দুই বছর ধরে ইরানে অবস্থান করতে চায় না—বরং নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণ করেই দ্রুত সরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।