tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ মাধ্যমে জনগণের রায় বদলে দেওয়ার অভিযোগ তুলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে দলটি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদিন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হলেও ভোট গণনা থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যারা এই ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে তারা ভেবেছিল বিষয়টি জনগণ বুঝতে পারবে না। কিন্তু নির্বাচন-পরবর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যেই তারা নিজেরাই এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারার রাজনীতিতে আসতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, সংসদে বিরোধী দলে থাকলেও তাদের মেইনস্ট্রিমে আসতে দেওয়া হয়নি। রিজওয়ানা হাসান যদি এ বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন, তাহলে তা প্রমাণ করবে যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সহযোগিতায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সাবেক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে পরবর্তীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বড় উদাহরণ। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি তার অপসারণ দাবি করেছিল। তবে পরে ‘লন্ডন মেকানিজম’-এর মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান ধরে রাখেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়। অতীতে কোনো নির্দলীয় বা নিরপেক্ষ সরকারের উপদেষ্টা নির্বাচন-পরবর্তী সরকারে যুক্ত হননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য এবং ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করার ঘটনা থেকে স্পষ্ট হয় যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল অন্তর্বর্তী সরকার ও ‘ডিপ স্টেট’-এর পরিকল্পনায় পরিচালিত একটি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং করা নির্বাচন’। এ ঘটনায় সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান তিনি।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, ইয়াছিন আরাফাত, ড. আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবদুস সালাম, ড. মোবারক হোসাইন, শাহীন আহমেদ খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।