tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকফ্রান্স কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিল?

ফ্রান্স কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিল?

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের তিন প্রভাবশালী দেশফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য সংঘাতে জড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার (২ মার্চ) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানায়, প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে প্রয়োজনে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত।

এ ঘোষণার পর আরও কড়া বার্তা আসে প্যারিস থেকে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ জানান, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে তার দেশ পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ফ্রান্স কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাও জোরদার করা হবে।

উত্তর-পশ্চিম ফ্রান্সের সামরিক ঘাঁটিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে ম্যাক্রঁ জানান, বর্তমানে ৩০০-এর কম থাকা ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তবে ঠিক কতটি ওয়ারহেড যুক্ত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেননি তিনি। ১৯৯২ সালের পর এই প্রথম ফ্রান্স তাদের পারমাণবিক মজুত বাড়াতে যাচ্ছে।

ম্যাক্রঁর ভাষ্য, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক হুমকি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোয় ফ্রান্সের পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভূমিকা আরও সুস্পষ্ট করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ফরাসি বিমানগুলো মিত্র দেশগুলোতে সাময়িকভাবে মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার হামলা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ‘ভেরি লং-রেঞ্জ মিসাইল প্রজেক্ট’ বাস্তবায়নে কাজ করবে।

সূত্র: আলজাজিরা।