tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিইসলামী আন্দোলনকে বাদ দিয়েই জরুরি বৈঠকে ১০ দলের শীর্ষ নেতারা

ইসলামী আন্দোলনকে বাদ দিয়েই জরুরি বৈঠকে ১০ দলের শীর্ষ নেতারা

আসন বণ্টন নিয়ে তীব্র টানাপোড়েনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীসহ সমঝোতার আলোচনায় থাকা কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন। তবে এই বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেননি।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, প্রত্যাশিত আসনে ছাড় না পেলে ১১ দলীয় জোট থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আবদুল কাদেরসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। এ বিষয়ে বহুমাত্রিক আলোচনা চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের এক বাক্স নীতির ভিত্তিতে যে রাজনৈতিক সমঝোতার পথচলা শুরু হয়েছিল, তা জাতির মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে। সেই পথচলায় কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর সময় এখনো আসেনি।’

নেতারা বহুমাত্রিক ও বহুপাক্ষিক আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চূড়ান্ত অবস্থান তৈরি হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিকে অবহিত করবে।

জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ সমঝোতার আলোচনায় থাকা ১১ দলের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে টানাপোড়েন দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পারস্পরিক অবিশ্বাস বাড়ছে।

এ অবস্থায় আগামী ২০ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়ের আগেই চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে কি না—তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গতকাল বুধবার এই অনিশ্চয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যখন সমঝোতায় থাকা দলগুলো হঠাৎ করেই পূর্বনির্ধারিত একটি সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে। ওই সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চূড়ান্ত আসন বণ্টনের ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল।