tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপেসার মুস্তাফিজকে ফেরত পাঠানো হলে হাসিনাকেও ফিরিয়ে দিন: ওয়াইসি

পেসার মুস্তাফিজকে ফেরত পাঠানো হলে হাসিনাকেও ফিরিয়ে দিন: ওয়াইসি

ভারতের অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের অবস্থানে দ্বিচারিতা রয়েছে। তিনি বলেন, যদি একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো যায়, তাহলে কেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না।

ওয়াইসি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। তাকে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন চীন ও পাকিস্তান সেখানে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এ খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন এনডিটিভি।

তিনি আরও বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সন্ত্রাসীদের হামলায় পর্যটক নিহত হওয়ার পরও ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছিল। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, যা প্রশ্নবিদ্ধ।

সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) চলমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান মালিকানাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) আইপিএল ২০২৬ মৌসুমের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দেয়, যাতে প্রয়োজনে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়া যায়।

এ বিষয়ে কংগ্রেস এমপি শশী থারুরসহ কয়েকজন নেতা খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতির সংমিশ্রণের বিরোধিতা করেছেন। ওয়াইসি বলেন, পেহেলগাম হামলার পরও ভারত এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলেছে। তাহলে এখন একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ফেরত পাঠানোর যৌক্তিকতা কোথায়?

তিনি আরও বলেন, “একজন বাংলাদেশি নারী ভারতে অবস্থান করছেন—তাকেও ফেরত পাঠানো উচিত। তাকে দেশে ফিরতে বাধা দেওয়া কেন?”

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরার আহ্বান জানালেও তিনি ও তার পরিবার দাবি করেছেন, দেশে ফিরলে পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসনের অধীনে প্রহসনমূলক বিচারের মুখোমুখি হতে হতে পারে। এর আগে ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি তারা নজরে রেখেছে।