tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতি১১ মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা

১১ মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব আদায় করেছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা, যা একই সময়ের মধ্যে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আদায়।

তবে রাজস্ব আদায়ে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে ৮১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।

সংস্থাটির তথ্যমতে, গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে অতিরিক্ত আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। এ সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ০২ শতাংশ।

এনবিআরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম ১১ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৪ কোটি টাকা। বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার দাঁড়িয়েছে ৮১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রথম ১১ মাসে কাস্টমস অনুবিভাগে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ০৮ শতাংশ। ভ্যাট অনুবিভাগে এ হার ১০ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং আয়কর অনুবিভাগে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, জুন মাসের প্রথম ২০ দিনেই আদায় হয়েছে ২৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। এতে ২০ জুন পর্যন্ত মোট রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের পুরো বছরের মোট আদায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকাকে ছাড়িয়ে গেছে।

এনবিআরের আশা, জুনের শেষ ১০ দিনে আরও প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মোট আদায় ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে, যা হবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে এরপরও সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থেকে যাবে।

রাজস্ব আদায় বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তিনটি পৃথক টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এনবিআরের দাবি, কর ফাঁকি শনাক্তকরণ, অডিট কার্যক্রম জোরদার, উৎসে কর ও ভ্যাট আদায়ের তদারকি, ঝুঁকিভিত্তিক অডিট এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যক্রম দ্রুততর করার ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক গতি এসেছে।