tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশস্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানে থেকে যাচ্ছে

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানে থেকে যাচ্ছে

চারটি বামপন্থী দলের আপত্তির পর জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫-এ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধান থেকে বাদ যাচ্ছে না।

গত মঙ্গলবার ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে সনদের খসড়া পাঠায়, যেখানে উল্লেখ ছিল, সংবিধানের ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি সংক্রান্ত ১৫০(২) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হবে এবং সংশ্লিষ্ট পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল সংবিধানে থাকবে না। ৯টি দল এই সিদ্ধান্তে একমত ছিল না।

এরপর গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সিপিবি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদের নেতারা জানায়, তারা শুক্রবারের সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না। তাদের আপত্তির একটি মূল কারণ ছিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেয়ার সুপারিশ। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদে ক্রান্তিকালীন বিধানে থাকা ৬ষ্ঠ তফসিলের ‘ডিক্লারেশন অব ইনডিপেনডেন্স’ এবং ৭ম তফসিলের ‘প্রক্লেমেশন অব ইনডিপেনডেন্স’ বাদ দেয়ার প্রস্তাব ছিল, যা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি। এগুলো বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন হবে।

ফলে জুলাই সনদে এই বিষয়ে সংশোধন আনা হয়েছে।

চূড়ান্ত সনদ অনুযায়ী, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫০(২) সংশোধন করা হবে এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল সংবিধানে থাকবে না। উল্লেখ্য, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছিল। পঞ্চম তফসিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ ১৯৭১ সালের ভাষণ রয়েছে। ষষ্ঠ তফসিলে ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পরে, অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সপ্তম তফসিলে ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে।

জুলাই সনদের সংস্কারের ফলে সংবিধানে ৭ মার্চের ভাষণ ও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা থাকবে না, তবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তফসিলে থাকবে।