সর্বশেষ চারটি টি-টোয়েন্টি সিরিজেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হেরেছে টানা সাতটি সিরিজে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানের বিচারে দুই দল অবস্থান করছে দুই মেরুতে। এমন প্রেক্ষাপটে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজটি কার হাতে উঠবে—বাংলাদেশ কি নিজেদের জয়ের ধারা বজায় রাখবে, নাকি ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারতে থাকা অভ্যাস ঝেড়ে ফিরে আসবে জয়ের ছন্দে?
বর্তমানে সিরিজে এগিয়ে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ম্যাচে ১৬ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে তারা নিয়েছে দারুণ এক মানসিক সুবিধা। মঙ্গলবার ছিল ক্যারিবীয়দের ঐচ্ছিক অনুশীলনের দিন, কিন্তু চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তাদের অনুশীলন ছিল একেবারে সিরিয়াস। অনুশীলনের তীব্রতা দেখে সহজেই বোঝা যাচ্ছিল, সিরিজটি দ্বিতীয় ম্যাচেই নিশ্চিত করার কতটা আগ্রহ তাদের মধ্যে।
আজকের ম্যাচে জিতলেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, সিরিজে টিকে থাকতে হলে জয়ের কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের। এমন সমীকরণ নিয়েই আজ মুখোমুখি হবে দুই দল।
তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চিন্তা ব্যাটিং লাইনআপ, বিশেষ করে মিডল অর্ডার নিয়ে। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি জিতেছে বাংলাদেশ, কিন্তু মিডল অর্ডারের পারফরম্যান্স ছিল বেশ অনিয়মিত। মিডল অর্ডারের গড় স্ট্রাইক রেট মাত্র ১১৯.৮৩; হাফসেঞ্চুরি এসেছে মাত্র দুটি—একটি তৌহিদ হৃদয়ের, আরেকটি জাকের আলী অনিকের ব্যাট থেকে।
তবে সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে ব্যর্থতার কারণে প্রথম ম্যাচে একাদশে ছিলেন না জাকের। মঙ্গলবার সহকারী কোচ সালাউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন তিনি। আজকের ম্যাচে নুরুল হাসান সোহানের পরিবর্তে জাকের আলী অনিকের একাদশে ফেরার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।



