জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দেশজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সংখ্যানুপাতিক হারে এবার বিএনপি এককভাবে অন্তত ৩৫ থেকে ৩৭টি আসন পেতে যাচ্ছে । এই আসনগুলোতে দলের মনোনয়ন পেতে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এবার শিক্ষিত, পেশাদার এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অধিকারীদের প্রাধান্য দেওয়ার যে গুঞ্জন রয়েছে, তাতে আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সুপরিচিত সাংবাদিক লিপিকা সরকার।
তৃণমূল থেকে কেন্দ্র—সবখানেই লিপিকা সরকারের নাম শোনা যাচ্ছে দলের একনিষ্ঠ ও ত্যাগী কর্মী হিসেবে। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি কেবল সংবাদ পরিবেশনই করেননি, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রাজপথে থেকে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকে আড়ালে ছিলেন, তখন লিপিকা সরকার সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক প্ল্যাটফর্মে বিএনপির আদর্শ ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার সংসদে মেধা ও মননের সমন্বয় ঘটাতে চান । সেক্ষেত্রে সাংবাদিক লিপিকা সরকারের মতো মেধাবী মুখগুলো হতে পারেন দলের যোগ্য প্রতিনিধি। তিনি একদিকে যেমন দক্ষ বিতার্কিক, অন্যদিকে নারী অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একজন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে লিপিকা সরকার বলেন, “শহীদ জিয়ার আদর্শ আমার রক্তে। দীর্ঘ সময় সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করেছি। এখন সময় এসেছে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে থেকে দেশের সেবা করা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে সুযোগ দেন, তবে সংসদে জনগণের বিশেষ করে নারীদের সমস্যাগুলো তুলে ধরতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমি পদের জন্য নয়, সেবার জন্য রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লিপিকা সরকার মনোনয়ন পেলে সংসদে বিএনপির যুক্তি ও তর্কের লড়াই আরও সমৃদ্ধ হবে। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং গণমাধ্যমের সাথে সুসম্পর্ক দলকে রাজনৈতিকভাবে লাভবান করবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন চলতি রমজানের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে ।



