tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিসংরক্ষিত আসনে বিএনপির প্রাধান্য, জামায়াত জোটের আসন কমার ইঙ্গিত

সংরক্ষিত আসনে বিএনপির প্রাধান্য, জামায়াত জোটের আসন কমার ইঙ্গিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ১৩টি এবং একটি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত হয়েছে। আগামী ১২ মে এসব আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দিন খান জানান, বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬টি আসনে, জামায়াত জোট থেকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সুলতানা জেসমিন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এছাড়া শাম্মা আক্তার, মোসাম্মদ মেহরুন্নেসা ও মাহবুবা রহমান স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়ন জমা দিলেও তাদের প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত হবে।

মনোনয়ন জমার দিন নির্বাচন কমিশন ভবনে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে আইনি জটিলতার কারণে জামায়াত জোটের একটি আসনের প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আলোচনায় উঠে আসে এনসিপির ‘জাতীয় নারীশক্তি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা।

ইসি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির অন্তত তিনজন এবং জামায়াত জোটের মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাব্য কারণ রয়েছে। যদিও বিএনপির প্রার্থীদের ত্রুটি তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত, মনিরা শারমিনের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট সংরক্ষিত আসনটি সব দলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। তখন নতুন তফসিল ঘোষণা করে সব দলকে আবারও প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে এবং সংসদ সদস্যদের ভোটে সেই আসনের প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।

ইসি কর্মকর্তাদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে উন্মুক্ত ভোটে তারা অতিরিক্ত একটি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ফলে বিএনপি জোটের আসন সংখ্যা ৩৭-এ উন্নীত হতে পারে এবং জামায়াত জোটের আসন কমে ১২টিতে নেমে আসতে পারে।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ ২৬ এপ্রিল, নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।