tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিলালমনিরহাটে পেঁয়াজ-রসুন-আদার বাজারে অস্থিরতা, বিপাকে ভোক্তারা

লালমনিরহাটে পেঁয়াজ-রসুন-আদার বাজারে অস্থিরতা, বিপাকে ভোক্তারা

লালমনিরহাটের কাঁচাবাজারে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামে টানা ঊর্ধ্বগতিতে ভোক্তারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে বাড়তে এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে শিয়ালখোওয়া কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দেশি রসুন কিছুটা সাশ্রয়ী হলেও (৯০–১২০ টাকা), বিদেশি রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১৪০–১৬০ টাকা। দেশি আদার দাম ১৫০–১৭০ টাকার মধ্যে উঠানামা করছে। তবে তুলনামূলকভাবে আলুর বাজার স্থিতিশীল রয়েছে, দেশি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০–২৫ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা চড়া দামে বিক্রি করছেন, ফলে পাইকারি বাজার থেকেই দাম বেশি। অপরদিকে, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি অনিয়মিত হওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, “দেশি পেঁয়াজ প্রচুর মজুত থাকলেও কৃষকরা দাম কমাচ্ছেন না। ভারতীয় পেঁয়াজও নিয়মিত আসে না, তাই বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।”

রসুন-আদার ব্যবসায়ী কালাম মিয়া বলেন, “রসুন ও আদা আমদানিনির্ভর। আমদানি কমলেই দাম বেড়ে যায়। আমরা নিজেরা দাম নির্ধারণ করি না, পুরোপুরি পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভরশীল।”

দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকেই। গৃহিণী শাহনাজ পারভীন বলেন, “রান্নায় পেঁয়াজ-রসুন লাগেই। দাম যতই হোক, কিনতেই হয়। মাস শেষে খরচ টানাটানির মুখে পড়ে যাচ্ছি।”

আরেক ক্রেতা মমিনুল হক বলেন, “এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজার অস্থির। সরকার যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”