ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে এবার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে এ ভোটগ্রহণ হবে।শনিবার শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।তবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে শুধু আনুষ্ঠানিক হিসেবে দেখারও সুযোগ নেই। বিশেষ করে সংসদে কোনো দলের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা, সরকার গঠনে জটিলতা তৈরি হওয়া কিংবা সাংবিধানিক সংকটের মতো পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ এমন পরিস্থিতিতে কাকে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে, তা নির্ধারণে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব সামনে আসে।
সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নির্দিষ্ট নিয়ম ও সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকলেও রাষ্ট্রের বিশেষ পরিস্থিতিতে তাঁর পদটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন সংকটময় সময়ে রাষ্ট্রপতিকে অপেক্ষাকৃত স্বাধীনভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে দেখা গেছে।
ফলে রাষ্ট্রপতির পদকে একদিকে যেমন নির্বাহী ক্ষমতাহীন আনুষ্ঠানিক পদ হিসেবে দেখা হয়, অন্যদিকে সাংবিধানিক সংকটের মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র পরিচালনার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বোঝার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ের সাংবিধানিক বিধান এবং বিশেষ পরিস্থিতির বাস্তবতা এ দুই দিকই বিবেচনায় নিতে হয়।



