tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদসারাদেশমিন্টুর হটলাইন: পাঁচ দিনে ১৬৭ অভিযোগ জমা, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি রোধে উদ্যোগ

মিন্টুর হটলাইন: পাঁচ দিনে ১৬৭ অভিযোগ জমা, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি রোধে উদ্যোগ

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অনিয়ম বন্ধে হটলাইন ও ওয়েবসাইট চালু করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। মাত্র পাঁচ দিনে ওয়েবসাইটে ১৬৭টি অভিযোগ জমা পড়েছে এবং অসংখ্য ফোনকল এসেছে। মন্ত্রী এই তথ্য নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানিয়েছেন।

মন্ত্রী পোস্টে উল্লেখ করেন, “হটলাইন চালুর পর মাত্র পাঁচদিনে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়েবসাইটে ১৬৭টি অভিযোগ এবং অসংখ্য ফোনকল পেয়েছি। এতে প্রমাণ হয়, মানুষ পরিবর্তন চায়। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে সমাধান করা হবে।” একই পোস্টে মন্ত্রী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া হটলাইনে ফোন না করার আহ্বান জানিয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য ওয়েবসাইটে অভিযোগ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

পোস্টে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মন্তব্য করেছেন। মামুনুর রশিদ চৌধুরী লিখেছেন, “কয়টি অভিযোগ সরজমিনে গিয়ে সমাধান করেছেন মন্ত্রী?” ইশরাত জাহান ইরিনা একটি সংবাদসংক্রান্ত লিঙ্ক দিয়ে মন্তব্য করেছেন, “এখানে প্রমাণসহ অভিযোগ দিলাম, এখন দেখার অপেক্ষা।” এমাম হোসের লিখেছেন, “সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা অঞ্চলে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত করার জন্য অভিযোগ করার সুযোগ সময়োপযোগী। আশা করি প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরেকজন লিখেছেন, “মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আবেদন, অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রেখে অভিযোগগুলো পাবলিক করা হোক এবং সত্যতা যাচাই ও ব্যবস্থা গ্রহণের অগ্রগতি জনগণ দেখতে পারুক।”

এর আগে, ১৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে নিজ ফেসবুক পেজে হটলাইন ও ওয়েবসাইট চালুর ঘোষণা দেন মন্ত্রী এবং অভিযোগের জন্য ০১৭৩০০-০৪৮৪৪ নম্বর প্রকাশ করেন।

ফেনী-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। এমপি হওয়ার পরপরই তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান, ফলে দীর্ঘ দুই দশক মন্ত্রী শূন্য থাকা ফেনী জেলা পুনরায় মন্ত্রিত্বের প্রতিনিধিত্ব পেল। মিন্টুর নির্বাচনী ইশতেহারে স্থানীয় এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অনিয়ম রোধ করাই প্রধান লক্ষ্য ছিল।