tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশমাসে কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, ইমনের সঙ্গে কারা পেতেন ভাগ

মাসে কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, ইমনের সঙ্গে কারা পেতেন ভাগ

চট্টগ্রামের আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন মাসে গড়ে এক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আদায় করা অর্থের বড় একটি অংশ বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর কাছে পাঠানো হতো।

পুলিশের দাবি, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিকদের টার্গেট করে চাঁদা আদায় করা হতো। প্রথমে তাঁদের ব্যবসা, পরিবার ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করত তাঁর সহযোগীরা। এরপর বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করা হতো।

পুলিশ জানায়, দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর কিংবা গুলি চালিয়ে ভয় দেখানো হতো। এভাবে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হতো বলে অভিযোগ।

গত ২৯ জুলাই সকালে যশোর থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে তিন সহযোগীসহ ইমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। পরে ফটিকছড়ি থানার হত্যা ও অস্ত্র মামলায় আদালত তাঁর ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চাঁদার অর্থের একটি অংশ সাজ্জাদের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো হতো। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, ইমন মাসে গড়ে এক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বিদেশে থাকা সাজ্জাদের কাছে পাঠানো হতো, ১৫ লাখ টাকা দল পরিচালনায় ব্যয় এবং বাকি অর্থ নিজে রাখতেন বলে ইমন দাবি করেছেন।

পুলিশ আরও জানায়, ইমন চাঁদা আদায়ের জন্য ব্যবসায়ীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতেন। তাঁদের চলাফেরা, পরিবারের সদস্যদের অবস্থানসহ বিভিন্ন তথ্য ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখানো হতো।

ইমনের দাবি, তাঁর এক হাজারের বেশি সহযোগী রয়েছে। পুলিশ এখন এসব সহযোগী এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।

ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর দলে যুক্ত হন। এরপর বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় তাঁর নাম উঠে আসে। নগরের জোড়া খুন ও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় হত্যাকাণ্ডসহ কয়েকটি ঘটনায় তিনি আলোচিত হন।