tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআদালতবেইলি রোড আগুন: ২২ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র দাখিল

বেইলি রোড আগুন: ২২ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র দাখিল

ঢাকার বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু মামলায় ২২ জনকে আসামি করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে।

অভিযোগপত্রে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রধান আসামিরা

  • চুমুক কফিশপ: আনোয়ারুল হক
  • আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন: মো. রমজানুল হক নিহাদ (মালিক), মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল (ম্যানেজার)
  • কাচ্চি ভাই, খানাজ, তাওয়াজ রেস্টুরেন্ট: মো. সোহেল সিরাজ
  • অন্যান্য রেস্টুরেন্ট ও ব্যবসায়ী: ইকবাল হোসেন কাউসার, জেইন উদ্দিন জিসান, মোহর আলী পলাশ, মো. ফরহাদ নাসিম আলীম, আব্দুল্লাহ আল মতিন, মো. নজরুল ইসলাম খান, লতিফুর নেহার, খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অঞ্জন কুমার সাহা, মো. মুসফিকুর রহমান, জগলুল হাসান, আশিকুর রহমান, হোসাইন মোহাম্মদ তারেক, রাসেল আহম্মেদ, মো. সাদরিল আহ্মেদ শুভ, আদিব আলম, রাফি উজ-জাহেদ, শাহ ফয়সাল নাবিদ।

ভবন মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমানকে মৃত্যুর দায়ে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া মো. আনোয়ার হোসেন সুমন এবং শফিকুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

আগুনের ঘটনা ও ভবনের অব্যবস্থা

  • আগুনের সূত্রপাত: ‘চুমুক’ কফিশপের বৈদ্যুতিক কেটলি।
  • অনুমোদিত ভবন ৫ তলা হলেও অবৈধভাবে ৮ তলা পর্যন্ত ব্যবসা চলছিল।
  • জরুরি বাহ্যিক পথ ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।
  • ১০টি রেস্টুরেন্টের কোনোটির বৈধ কাগজপত্র ছিল না।
  • সিঁড়ি ও মূল ফটকে বাধা থাকায় মানুষ নিরাপদভাবে বের হতে পারেনি।
  • ছাদে অবৈধ ‘ডুপ্লেক্স রেস্টুরেন্ট’ নির্মাণ ছিল এবং ভেন্টিলেশনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

এই অব্যবস্থাপনার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষ মারা যায়। ৪৬ জন মারা গিয়েছিলেন; ৩ জন পুড়ে মারা যায়, ৪৩ জন ধোঁয়ায় শ্বাসরোধে মারা যান। আহত হয়েছিলেন ১১ জন, জীবিত উদ্ধার হয় ৭৫ জন।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান জানান, অভিযোগপত্র দাখিলের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হবে।