tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকবৃটিশ বিলিয়নেয়ারকে ক্ষমা করলেন ট্রাম্প

বৃটিশ বিলিয়নেয়ারকে ক্ষমা করলেন ট্রাম্প

ব্রিটিশ বিলিয়নেয়ার ও টটেনহ্যাম হটস্পারের মালিকানাধীন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা জো লুইসকে ক্ষমা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ৮৮ বছর বয়সী লুইস ২০২৪ সালে প্রসিকিউটরদের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের অভিযোগে দোষ স্বীকার করে কারাবাস এড়ান। অভিযোগ ছিল, তিনি নিজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গোপন তথ্য ব্যক্তিগত পাইলট, বন্ধু, সহকারী এবং রোমান্টিক সঙ্গীদের কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদের মাধ্যমে মিলিয়ন ডলার লাভ করান।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসা গ্রহণ ও যুক্তরাষ্ট্রে থাকা নাতি-নাতনি এবং প্রপৌত্র-প্রপৌত্রীদের দেখার সুযোগের জন্য লুইস ক্ষমা চান, এবং ট্রাম্প সে অনুরোধ অনুমোদন করেন। লুইস ৫০ লাখ ডলার জরিমানা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের বিরোধিতা করেননি। তিনি বলেন, “ঝামেলা পেছনে ফেলে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। এখন অবসর উপভোগ করতে পারব এবং পরিবারের সদস্যরা মান ও উৎকর্ষতার ভিত্তিতে আমাদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

পরিবারের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানায়, তারা ক্ষমার জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ এবং ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ট্যাভিস্টক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা লুইস ২০২৩ সালের সানডে টাইমস রিচ লিস্টে ৩৯তম স্থানে ছিলেন, যেখানে তার সম্পদ ৫০০ কোটি পাউন্ডের বেশি বলে উল্লেখ ছিল। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সিকিউরিটিজ জালিয়াতির ১৬টি ও ষড়যন্ত্রের ৩টি অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০১৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে কর্পোরেট বোর্ডরুমে প্রবেশাধিকারকে অপব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন পরিচিতদের ইনসাইডার তথ্য দিতেন।

প্রসিকিউটররা জানান, এসব তথ্য পেয়ে সংশ্লিষ্টরা শেয়ারবাজারে ‘নিশ্চিত লাভজনক’ বাজি ধরতেন। ২০১৯ সালে এক বান্ধবীর অ্যাকাউন্টে লগইন করে তিনি নিজেই ৭ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেন এবং পরে প্রায় ৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার লাভ করেন। ২০২৪ সালে লুইস দুইটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করলে তাকে ৫০ লাখ ডলার জরিমানা ও তিন বছরের প্রবেশন দেন আদালত।

টটেনহ্যাম হটস্পারের মালিকানার জন্য লুইস সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ২০০১ সালে তিনি ২২ মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে ক্লাবটির নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ার কিনেছিলেন।