ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া চারজনের লাশের পরিচয় মিলেনি দুই দিনেও। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দুটি পৃথক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ আগস্ট) নদীর ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে লাশগুলো উদ্ধার করে নৌপুলিশ। মীরের বাগ এলাকা থেকে উদ্ধার হয় এক নারী ও চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ। সদরঘাট নৌপুলিশ জানায়, দুজনেরই গলায় কাপড় প্যাঁচানো ছিল।
অন্যদিকে কালিন্দী ইউনিয়নের মাদারিপুর ঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় আরও এক নারী ও এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করেন বরিশুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। নিহত নারী ও পুরুষের হাত রশিতে বাঁধা ছিল এবং রশির সঙ্গে একটি চালের বস্তাও বাঁধা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় মাদারিপুর ঘাট থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় এবং নারী-শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে নৌপুলিশ। দুটি মামলাতেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্বও নৌপুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে।
নৌপুলিশের ঢাকা রিজিওনের এসপি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, “এখনো নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। আশপাশের এলাকায় কেউ নিখোঁজ হয়েছেন বলে স্বজনরা আমাদের কাছে আসেননি। আমরা নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরিগুলো (জিডি) খতিয়ে দেখছি।”



