আন্তর্জাতিক বাজারে বুধবার স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। মূলত মার্কিন ডলারের মান শক্তিশালী হওয়া এবং ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা জোরদার হওয়ায় স্বর্ণের দামের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় স্বর্ণের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যেই দাম কমায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, স্পট গোল্ডের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫,১৭৭ দশমিক ৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্স ১.১ শতাংশ কমে ৫,১৮৫ দশমিক ২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
অন্যদিকে মার্কিন ডলার সূচক (ডিএক্সওয়াই) প্রায় ০.৩ শতাংশ বেড়েছে। ডলারের মান বাড়লে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলারে নির্ধারিত পণ্য—বিশেষ করে স্বর্ণ—তুলনামূলকভাবে বেশি দামী হয়ে ওঠে। ফলে বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারেও, যার ফলে স্বল্পমেয়াদে দামের ওপর চাপ দেখা যাচ্ছে।



