tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিবিএনপিকে ঠেকাতে অপকৌশলের আশ্রয় নেয়া হচ্ছে: তারেক রহমান

বিএনপিকে ঠেকাতে অপকৌশলের আশ্রয় নেয়া হচ্ছে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে আজ স্বৈরাচারী সরকারের মতো আচরণ করছে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও গোষ্ঠী। তাদের মূল উদ্দেশ্য বিএনপির বিজয় ঠেকানো।”
তিনি বলেন, রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবেলা করতে হবে, ষড়যন্ত্র বা শর্তের বেড়াজাল দিয়ে নয়। জনগণের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

২১ আগস্ট, রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। আয়োজনটি করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট।

তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য ও শর্ত জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা বুঝতে পেরেছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ বিএনপিকেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেবে। এই আশঙ্কা থেকেই তারা আবারও অন্তর্ঘাতমূলক রাজনীতি শুরু করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৬-১৭ বছরে নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত সবখানে একচেটিয়া দখল ও জালিয়াতির চিত্র ছিল। যারা আবারও একই অপকৌশল নিতে চায়, তাদের বলব—গণতন্ত্রে জনগণের রায়ের পথ বন্ধ করবেন না।”

পিআর (প্রতিনিধিত্ব অনুপাতে নির্বাচন) পদ্ধতির সমালোচনায়, তারেক রহমান বলেন, “এই পদ্ধতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এতে জনগণ জানতে পারবে না তারা কাকে ভোট দিচ্ছে। সংসদে যাওয়ার জন্য প্রত্যেককে জনগণের সামনে এসে আস্থা অর্জন করতে হবে।”

তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার মতো ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। যারা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করছেন, তারা হয়তো অজান্তেই স্বৈরাচারের পুনর্বাসনের সুযোগ করে দিচ্ছেন।”

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অধিকাংশ ঘটনা ধর্মীয় নয়, বরং রাজনৈতিক ও লোভপ্রসূত। এমন অবিচার রোধে রাষ্ট্রকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। বিএনপি বিশ্বাস করে—ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা সবার অধিকার।”

শেষে তিনি বলেন, “গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জনগণ এক ‘কংসরূপী ফ্যাসিস্ট’ শাসকের দুঃশাসন ও নির্যাতন দেখেছে। এখন সময় এসেছে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার। তবে এই যাত্রা ঝুঁকিমুক্ত নয়, সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”