tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিদ্যমান নির্বাচনি আইন অনুযায়ী বর্তমান জাতীয় সংসদের কোনো সদস্যকে ঋণখেলাপি বলা যাবে না। কারণ ঋণখেলাপি ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য নন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে ঋণখেলাপি প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যারা বর্তমানে সংসদে রয়েছেন, তারা কেউ ঋণখেলাপি নন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং প্রচলিত নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। এমনকি তারা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ারও অযোগ্য।”

জাতীয় সংসদ ও এর সদস্যদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন স্পষ্টভাবে ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি মনোনয়ন পেয়েছেন এবং পরে নির্বাচিত হয়েছেন—এ থেকেই তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঋণগ্রস্ত হওয়া এবং ঋণখেলাপি হওয়া এক বিষয় নয়। ব্যবসা বা অন্যান্য কারণে কারও ঋণ বা আর্থিক দায় থাকতে পারে, তবে সেটি তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঋণখেলাপি বানায় না।

সংসদ সদস্যদের মধ্যে নির্দিষ্টসংখ্যক ঋণখেলাপি মনোনয়ন পেয়েছেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি আইনের সঠিক ব্যাখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মন্ত্রী জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলা বা অন্যান্য আইনি জটিলতা থাকতে পারে। তবে পরবর্তীতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিষয় নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ বা আপিল বিভাগ কোনো ব্যক্তিকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলে তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে আখ্যায়িত করার সুযোগ থাকে না।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে বারবার ‘ঋণখেলাপি’ শব্দ ব্যবহারের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে তাদের বারবার ঋণখেলাপি বলা কতটা যৌক্তিক, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, ঋণগ্রহীতা ও ঋণখেলাপির মধ্যে সুস্পষ্ট আইনি এবং বাস্তব পার্থক্য রয়েছে। জনস্বার্থে এ বিষয়টি সঠিকভাবে তুলে ধরা এবং জনগণের কাছে পরিষ্কার করা জরুরি।