দেশের সাত জেলায় বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
জেলাভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুজন, জামালপুরে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন, বগুড়ায় একজন, নাটোরে একজন এবং পঞ্চগড়ে একজন নিহত হয়েছেন।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় এক শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে একসঙ্গে তিনজন মারা যান। একই ঘটনায় একজন আহত হন এবং একটি গরুও মারা যায়।
নিহতরা হলেন—ফুয়াদ (১৪), রাফি (১২) ও মিজানুর (২০)। আহত শামীম (১৮) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাফি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এ ছাড়া ফুলছড়ি উপজেলার জামিরা চরে ঘোড়ারগাড়ি চালানোর সময় বজ্রপাতে মানিক হোসেন (২২) নিহত হন। অন্যদিকে সাঘাটা উপজেলায় নম্বার আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশে মাঠে কাজ করার সময় কৃষক আব্দুল হামিদ (৫০) এবং রায়গঞ্জে ধান জড়ো করার সময় হাসান শেখ (২৫) বজ্রপাতে নিহত হন।
জামালপুর
জামালপুর সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলে গরু চরাতে গিয়ে হাসমত আলী হাসু (৫৫) এবং মেলান্দহে বাড়ির উঠানে রান্না করার সময় মর্জিনা আক্তার (২২) মারা যান। এ ঘটনায় শেফালী বেগম নামে আরও একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বগুড়া
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মুচিখালী গ্রামে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় লাবণী আক্তার (৩৫) ও ইলিয়াস আলী (৩৭) বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।
নাটোর
নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
পঞ্চগড়
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় সারওয়ারদ্দী (২১) নামে এক চা শ্রমিক বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।



