দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, চুয়াডাঙ্গা, বগুড়া ও শেরপুরে এসব ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন আহতও হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। জেলার শিবগঞ্জ, সদর ও নাচোল উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় তিন নারীসহ পাঁচজন নিহত হন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বৃষ্টির মধ্যে আম কুড়াতে ও মাঠে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
ময়মনসিংহে বজ্রপাতে এক কলেজশিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গফরগাঁওয়ে ধানের কাজ করার সময় সিয়াম (২৮) এবং মুক্তাগাছায় একটি মসজিদের নির্মাণকাজ তদারকির সময় গাবতলী ডিগ্রি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এএসএম খালেকুল আজাদ (৫৬) নিহত হন।
নীলফামারীর ডিমলায় বজ্রপাতে আলম ইসলাম (৪০) মারা যান। একই ঘটনায় এক গৃহবধূ আহত হয়েছেন। পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানায় ভুট্টা পরিবহনের কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে শাহাদাত হোসেন (১৯) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বাড়ির ছাদে বসে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে নাফিজ আহমেদ শান্ত (২৮) নিহত হন। তার চাচাতো ভাই নাহিদ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বগুড়ার আদমদীঘিতে মরিচ ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রাব্বি হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় তার মা আহত হয়েছেন। এছাড়া শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি ইউনিয়নে ফুটবল খেলার সময় বজ্রাঘাতে মো. মিজান মিয়া (২১) নিহত হন।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে এসব মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



