দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে চলতি আগস্ট মাসে আরও পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। এসব কার্গোতে মোট প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি থাকবে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অর্থ) একেএম মিজানুর রহমান জানান, আগস্ট মাসে অতিরিক্ত পাঁচ কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে। এগুলো স্পট মার্কেট, দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় কেনা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে তিনটি উৎস থেকে এলএনজি আমদানি করছে। প্রতিটি কার্গোতে গড়ে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি থাকে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে সব মিলিয়ে ৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে চারটি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। বাকি পাঁচটি কার্গো এ মাসের ১৭, ২১, ২৩, ২৭ ও ৩০ তারিখে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে আগস্টের নয় কার্গোতে এলএনজির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ।
আগস্ট মাসের জন্য দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় একটি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় পাঁচটি এবং স্পট মার্কেট থেকে তিনটি কার্গো কেনা হয়েছে।
এর আগে জুলাই মাসে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হয়। এসব কার্গোতে এলএনজির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমান সরকারের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে। এ ছাড়া ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতাতেও বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করছে।
সরকার প্রতি মাসে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদন নিয়ে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে থাকে।



