tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপ্রথম দফা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড ভোট

প্রথম দফা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড ভোট

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এবারের ভোটদানের হার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে—এটি কি পরিবর্তনের পক্ষে ভোট, নাকি ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে সৃষ্ট ভীতির প্রতিফলন? সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো খুঁজছে সংশ্লিষ্টরা।

সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৯১.৫২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে মুসলিম অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ জেলায়, প্রায় ৯১.৩৬ শতাংশ। প্রথম দফায় যেসব ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে, সেখানে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ছিল ৭৯.৮ শতাংশ। এর আগে সর্বোচ্চ ভোটদানের হার ছিল ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে—৮৪.৩৩ শতাংশ। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফায়ও যদি একই প্রবণতা বজায় থাকে, তবে সর্বভারতীয় পর্যায়েও নতুন রেকর্ড গড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ।

দক্ষিণবঙ্গে তীব্র গরম উপেক্ষা করেও ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। উত্তরবঙ্গেও ছিল উল্লেখযোগ্য উৎসাহ। ভোট শুরুর পর থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ সারি চোখে পড়ে। দ্বিতীয় দফার প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে পশ্চিমবঙ্গে এত শান্তিপূর্ণ ভোট তিনি আগে দেখেননি। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান।

প্রথম দফার ভোট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে কোচবিহারে ৯টি, আলিপুরদুয়ারে ৫টি, জলপাইগুড়িতে ৭টি, কালিম্পঙে ১টি, দার্জিলিংয়ে ৫টি, উত্তর দিনাজপুরে ৯টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬টি, মালদহে ১২টি, মুর্শিদাবাদে ২২টি, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টি, ঝাড়গ্রামে ৪টি, পুরুলিয়ায় ৯টি, বাঁকুড়ায় ১২টি, পশ্চিম বর্ধমানে ৯টি এবং বীরভূমে ১১টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়।

ভোটের শুরুতে কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ত্রুটির কারণে বিলম্ব হলেও বড় ধরনের কোনো অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি। তবে দিনের মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ যেমন উঠেছে, তেমনি কিছু জায়গায় বাহিনীর সদস্যরাও হামলার শিকার হয়েছেন। কোথাও এজেন্ট আহত হয়েছেন, কোথাও প্রার্থীকে মারধর কিংবা গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় বড় ধরনের সহিংসতা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এদিকে তীব্র গরমের কারণে অন্তত চারজন ভোটারের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।