আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার পর প্রতিবাদস্বরূপ দেশের বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ কর্মসূচি পালন করছেন। এই কর্মসূচির আওতায় সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, এবং প্রকৌশল অনুষদসমৃদ্ধ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
পুলিশি হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুয়েটের শিক্ষার্থীরা জানান, “এই পুলিশ বাহিনীর আচরণে আগের মতোই বৈরিতা ও সহিংসতা প্রতিফলিত হয়েছে। কোনো পরিবর্তন আমরা দেখতে পাচ্ছি না।”
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের পরিচয়সহ ঘটনার বিস্তারিত, পুলিশের হামলা এবং অন্যায় আচরণের তথ্য প্রকাশ করেন, যাতে জাতি এর প্রকৃত চিত্র জানতে পারে।
এছাড়া আহত শিক্ষার্থীদের একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরি করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, হামলার ভিডিও ফুটেজ ও ছবি প্রচারেরও অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই—এই হামলার জন্য পুলিশকে জবাবদিহি করতেই হবে। যদি জবাবদিহির কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আমরা ধরে নেবো, এই বাহিনী একটি অবৈধ ও স্বৈরাচারী সরকারের হয়ে কাজ করছে।”



